ভার্জিনিটি হারানোর পর নতুন জীবন
আমার মা পাপা বড়ভাই আর আমি বাড়ীর একমাত্র মেয়ে। আমাদের পারিবারিক ভাবে সোনার দোকান আছে। এখন পাপা আর বড়ভাই মিলে ব্যাবসা টা সামলাচ্ছে। মা হাউস ওয়াইফ। মোটামুটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের বাধ্য ও শান্ত মেয়ে আমি। আমার বয়স তখন ১৯ বছর। আমি ফর্সা 5″4 আমার হাইট্। ফিগার ৩৪-৩০-৩৪। কার্লি চুলের জন্য আমায় আরও বেশি আকর্ষণীয় লাগে। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর মুম্বাই এর একটি নামী ফ্যাশন ডিজাইনার কলেজে এডমিশান হয়ে মুম্বাই চলে আসি। মুম্বাই গিয়ে চারজন রুমমেটের সথে প্রথম একটা মাস বেশ ভালোই কাটছিল। আমি পড়াশোনায় মনযোগী ছিলাম খুব কিন্তু রুমমেটদের বয়ফ্রেন্ডরা প্রায় রাতে তাদের রুমে আসতো সারা সারা রাত পার্টি করতো আর তাদের সেক্সে করার চিৎকারে ঘুম আসতো না। এদিকে আমি তখনও সিঙ্গেল কোনো দিন ফিঙ্গারিং অবধি করি নি। সারা রাত ঘুম না হওয়ার জন্যে সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারতাম না। এমন করে রোজ কলেজ যেতে দেরি হতে লাগলো ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। একদিন আমাদের কলেজের রঞ্জন স্যার আমায় জিজ্ঞেস করলেন কি হলো মিনি কদিন ধরে দেখছি তুমি ক্লাসে কন্সেন্ট্রেট করছো না।আমি বললাম স্যার নতুন জায়গা একটু প্রব্লেম হচ্ছে কদিন পর ঠিক...